লোড হচ্ছে…
আমাদের কথা
Sharyee Family — ইলম, আমল ও দাওয়াহর পথে।
আমাদের উদ্দেশ্য
শরয়ী ফ্যামিলি একটি অলাভজনক দাওয়াহ প্ল্যাটফর্ম, যার লক্ষ্য বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞান সহজ ও সুন্দরভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

প্রতিষ্ঠাতা ও মুখ্য আলোচক
আমাদের শাইখ
মুফতী মামুনুর রশীদ হাফিজাহুল্লাহ বাংলাদেশের একজন প্রতিভাবান ও প্রখ্যাত আলেমে-দ্বীন। তিনি ১৯৮৫ সালে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার নশাসন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। পুরান ঢাকার জামালুল কুরআন মাদরাসা থেকে হিফজুল কুরআন বিভাগে সমগ্র বাংলাদেশে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। অতঃপর জামিয়া শরইয়্যাহ মালিবাগ থেকে নাহবেমীর জামাতে সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম এবং শরহে বেকায়া জামাতে অষ্টম স্থান অর্জন করেন। এরপর তিনি চৌধুরীপাড়া মাদরাসায় ভর্তি হন। সেখান থেকে মেশকাত জামাতে সমগ্র বাংলাদেশে তৃতীয় ও দাওরায়ে হাদীসে সমগ্র বাংলাদেশে পঞ্চম স্থান অর্জন করেন। উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য তিনি ভারতে সুবিখ্যাত বিদ্যাপীঠ দারুল উলূম দেওবন্দে ভর্তি হন। সেখানে তাকমীল জামাতে (ডাবল দাওরায়ে হাদীস) তৃতীয় এবং ইফতা বিভাগে (উচ্চতর ইসলামী আইনশাস্ত্র) চতুর্থ স্থান অর্জন করেন। বাংলাদেশে ফিরে এসে মারকাযুদ দাওয়াহ ওয়াল ইসলামিয়াতে উলূমুল হাদীস বিভাগে (উচ্চতর হাদীস শাস্ত্র) ভর্তি হয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এছাড়াও আলীয়া মাদরাসা থেকে কৃতিত্বের সাথে দাখিল, আলিম, ফাযিল ও কামিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন — কামিল পরীক্ষায় সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি চৌধুরীপাড়া মাদরাসায় সিনিয়র মুহাদ্দিস হিসেবে দারস-তাদরীসের খেদমত শুরু করেন। পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ীর জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নুর মাদরাসায় সিনিয়র মুহাদ্দিস ও প্রধান মুফতী হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ডেমরার সারুলিয়ায় মারকাযুল হিকমাহ আবু বকর সিদ্দীক রাযি. মাদরাসার আমীনুত তা‘লীম ও শাইখুল হাদীস হিসেবে এবং বাড্ডার মারকাযুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া মাদরাসায় শাইখুল হাদীস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি তিনি সারা বাংলাদেশে সাধারণ মুসলমান — বিশেষত যুবকদের মাঝে — ব্যাপকভাবে দাওয়াতী ও ইসলাহী মেহনত করছেন। যুবক ও সাধারণ মুসলিমরা যাতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দ্বীন-ঈমানকে সবার উপরে রাখতে পারে, পারিবারিক জীবন দ্বীনের আলোকে সাজাতে পারে এবং ফেতনার এই যামানায় ঈমান-বিধ্বংসী সূক্ষ্ম ফেতনা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে — সেজন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন “খানকায়ে রাহমানিয়া রশীদিয়া”, এবং সারা দেশের বিভিন্ন জেলার মসজিদে নিয়মিত “মুযাকারা মজলিস” এর মাধ্যমে দাওয়াতী কাজ পরিচালনা করছেন।
আমাদের লক্ষ্য
বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞান সহজ মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যেন সবাই দ্বীনকে সঠিকভাবে জানতে ও আমল করতে পারেন।
আমাদের স্বপ্ন
ইলম, আমল ও আখলাকে গড়া এমন একটি প্রজন্ম, যারা একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ গড়তে ভূমিকা রাখবে।
কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে যাচাই করা জ্ঞানই আমরা তুলে ধরি।
কঠিন কথাও সহজ ভাষায়, সুসংগঠিতভাবে, যেন সবাই বুঝতে পারেন।
একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, কোনো বিনিময় বা প্রচারের আশা ছাড়া।
সমাজে কল্যাণ ছড়িয়ে দিতে আমরা মিলেমিশে কাজ করায় বিশ্বাসী।
সহযোগী উদ্যোগ
ফেতনার যামানায় দ্বীন-ঈমানের একটি দুর্গ, যেখানে ঈমান, আমল ও আখলাকের পরিচর্যা হয়।
ফেতনার যামানা চলছে। তাসবীহ-দানার মত একের পর এক ফেতনা আমাদেরকে ঘিরে ফেলছে। পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় — সব দিক দিয়েই আমাদের দ্বীন-ঈমান আজ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। তাই এই কঠিন সময়ে দ্বীন-ঈমান নিয়ে টিকে থাকার জন্য আমাদের প্রয়োজন এমন এক দুর্গ — যা আমাদেরকে দ্বীনের উপর অটল রাখবে, সূক্ষ্ম ফেতনা থেকে হেফাজত করবে, এবং ঈমান ও আমলী জিন্দেগী গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
এই উদ্দেশ্যকেই সামনে রেখে — খানকায়ে রাহমানিয়া রশীদিয়া।
এই খানকার লক্ষ্য —
দ্বীনি জিজ্ঞাসা, নতুন বিষয়ের অনুরোধ বা কোনো ভুল চোখে পড়লে লিখুন। আমরা সব বার্তা পড়ি এবং সাধ্যমতো দ্রুত উত্তর দিই।
আমাদের লিখুন